শুধু
হ্যান্ডসেট নয়, টেলিযোগাযোগ যন্ত্রাংশ তৈরিতে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয়
প্রতিষ্ঠান এরিকসন। বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ বাজারেও এরিকসনের অবস্থান বেশ
শক্ত। এই এরিকসনের প্রতিষ্ঠাতার নাম লার্স ম্যাগনাস এরিকসন।
ম্যাগনাস এরিকসনের জন্ম ১৮৪৬ সালের ৫ মে সুইডেনে। শৈশব কেটেছে তাঁর ছোট্ট
গ্রাম ভেগারবোলে। মাত্র ১২ বছর বয়সে বাবাকে হারিয়ে তিনি অনেকটাই একাকিত্বে
পড়ে যান। বাস্তবতার ফাঁদে পড়ে নেমে পড়েন টাকা রোজগারে। আর স্বপ্ন দেখতেন,
টাকা জমিয়ে একদিন গ্রাম ছেড়ে পাড়ি জমাবেন স্টকহোমে। শহরে কাজের অনেক সুযোগ
আছে বলেই তিনি এমনটা ভাবতেন। ১৮৬৭ সালের দিকে তাঁর সেই শুভ মুহূর্ত আসে এবং
উড়ে যান স্টকহোমে। সেখানে গিয়েই টেলিগ্রাফের যন্ত্রাংশ তৈরির প্রতিষ্ঠান
ওলার্স অ্যান্ড কোং-এ কাজের সুযোগ পান। তাঁর প্রতিভা এবং যোগ্যতা দেখে
প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে তাঁকে বিশেষ বৃত্তি দিয়ে যন্ত্রাংশের ওপর পড়াশোনার
সুযোগ দেওয়া হয়। ১৮৭২-১৮৭৫ সাল পর্যন্ত তিনি এ প্রশিক্ষণ নেন। এরপর যোগ দেন
সিমেন্সে।
ব্যবহারকারীর
সংখ্যার দিক থেকে ইন্টারনেট বিশ্বের শীর্ষস্থান এখনো গুগলের দখলে। কিন্তু
শীর্ষে থেকেও নিশ্চিন্ত নয় গুগল। কারণ 'ফেইসবুক' দ্বিতীয় স্থানে থেকে
নিঃশ্বাস ছাড়ছে গুগলের ঘাড়ে। অবশ্য চুপ করেও নেই গুগল। গত জুনে পরীক্ষামূলক
যাত্রা শুরু হলেও মঙ্গলবার থেকে সবার জন্য চালু হয়েছে গুগলের সামাজিক
যোগাযোগ সাইট 'গুগল প্লাস'।

সামাজিক
যোগাযোগের যে দাওয়াই জুকারবার্গ দিয়েছেন, তা যে বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি
ব্যবহারকারী রুদ্ধশ্বাসে গিলছেন, তা বুঝতে কিন্তু দেরি হয়নি সার্চ জায়ান্ট
গুগলের দুই প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেইজ আর সার্জিও ব্রিনের। তাই সামাজিক
যোগাযোগ নিয়ে বিভিন্ন সময় উন্মত্ততা দেখিয়েছেন তাঁরা। ইমেইল সেবার মধ্যে
স্বল্পমাত্রায় সামাজিক যোগাযোগ সুবিধা যুক্ত করে ফেইসবুকের কিছু
ব্যবহারকারীকে টানতে চেয়েছিলেন, চালু করেছিলেন স্বল্পমাত্রার সামাজিক
যোগাযোগ সেবা 'গুগল বাজ', কিন্তু না, ফেইসবুকের টিকিটিও ছুঁতে পারেননি
ল্যারিরা। তবে হাল ছেড়ে দেওয়ার পাত্র যে তাঁরা নন, তা জানা যায় গুগল
প্রতিষ্ঠার ইতিহাস পড়লেই। নতুনরূপে ল্যারিরা নতুন সামাজিক যোগাযোগ সাইট
তৈরির উদ্যোগ নেন। আর সে উদ্যোগেরই ফসল গুগলের নিজস্ব প্রথম পূর্ণাঙ্গ
সামাজিক যোগাযোগ সাইট 'গুগল প্লাস'।
রোগ
তো আর সময় বুঝে আসে না! তা ছাড়া ছোটখাটো স্বাস্থ্য সমস্যায় অনেকে পয়সা খরচ
করে চিকিৎসকের কাছে যেতে চান না। কারো কারো সময়ও মেলে না চিকিৎসা নেওয়ার।
এমন রোগীদের জন্য ওয়েবই ভরসা। শুধু ছোটখাটো রোগ নয়, প্রচলিত প্রায় সব রোগের
দাওয়াই আছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইটে। রোগের লক্ষণ, প্রতিষেধক ও করণীয়
কী_সবই পাবেন এক ওয়েবে (www.webmd.com)। নবজাতকদের চিকিৎসা, খাবার
পরিকল্পনা তথ্যও পাবেন এ সাইটে। টিনএজাররাও তাদের দরকারি স্বাস্থ্য পরামর্শ
পাবে। নির্ভরযোগ্য এ ওয়েবে মায়েদের গর্ভকালীন স্বাস্থ্য পরামর্শ, ঘুমের
সমস্যা, হার্টের সমস্যা, ডায়াবেটিস, শারীরিক ফিটনেস, দাঁতের সমস্যাসহ প্রায়
সব ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যার পরামর্শ ও করণীয় দেওয়া আছে।
মোবাইল ফোন নিয়ে হরেক রকম বিপত্তিতে পড়তে হয়। তবে কিছু উপায় জেনে রাখলে এসব ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
এক
ইমার্জেন্সি নম্বর
মোবাইল ফোনের জন্য ১১২ নম্বরটি বিশ্বজনীন ইমার্জেন্সি। আপনি যদি নিজেকে
মোবাইল ফোন অপারেটরের নেটওয়ার্কের বাইরে আবিষ্কার করেন তাহলে এই নম্বরে
ডায়াল করুন। আপনার মোবাইল ফোনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার পাশের যেকোনো
নেটওয়ার্কের সঙ্গে ইমার্জেন্সি কল স্থাপন করবে। মজার ব্যাপার হলো, আপনার
হ্যান্ডসেটের কি-প্যাড লক করা থাকলেও ১১২ নম্বরে ডায়াল করা যাবে। একবার
চেষ্টা করে দেখুন।
দুই
এঙ্ট্রা ব্যাটারি পাওয়ার
আপনার মোবাইল ফোনসেটের ব্যাটারি একদম শেষ? *৩৩৭০# চাপুন। এতে আপনার মোবাইল
ফোনসেটটি এর রিজার্ভ থেকে প্রায় ৫০ শতাংশ ব্যাটারি পাওয়ার নিয়ে রিস্টার্ট
হবে। পরবর্তী চার্জের সময় এই রিজার্ভটি আবার চার্জ হবে।
তিন
চুরি হয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনসেট নিষ্ক্রিয় করা
আপনার মোবাইল ফোনসেটের সিরিয়াল নম্বর চেক করার জন্য *#০৬#-এ ডায়াল করুন।
একটি ১৫ সংখ্যার কোড মোবাইল ফোনসেটের পর্দায় ভেসে উঠবে। এটি আপনার মোবাইল
ফোনসেটের ইউনিক কোড নম্বর। নম্বরটি সংরক্ষণ করুন। ফোন চুরি হয়ে গেলে আপনার
অপারেটরকে এই নম্বরটি বলে দিলে তারা আপনার সেটটি এমনভাবে নিষ্ক্রিয় করে
দেবে যে চোর নতুন সিম লাগালেও তা আর সচল হবে না। আপনি হয়তো আপনার সেটটি
কোনো দিনই ফেরত পাবেন না, কিন্তু এটি নিশ্চিত যে অন্য কেউ আপনার সেটটি
ব্যবহার বা বিক্রি করতে পারবে না।
কম্পিউটারে
ব্যবহারকারীর বিভিন্ন ধরনের কাজ করার জন্য একেক ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার
করা হয়। এসব সফটওয়্যার আলাদা আলাদাভাবে ইনস্টল করার প্রয়োজন হয়। তা ছাড়া
ইনস্টল করা সফটওয়্যার কম্পিউটারকে কিছুটা হলেও ধীরগতির করে। এসব সমস্যা
সমাধানে উপযুক্ত সফটওয়্যার, 'ইউনিভার্সাল ভিউয়ার'। যার মাধ্যমে ইমেজ,
মিডিয়া, ইন্টারনেট রিলেটেড ফাইল, ওপেন অফিস, মাইক্রোসফট অফিস বিভিন্ন
ফাইলের কাজ করা যায়। এ ছাড়া টেঙ্ট ফাইলকে প্লেন টেঙ্টে রূপান্তর করা যায়।
ইউনিভার্সাল ভিউয়ার হলো অনেক ফরম্যাটের ফাইল সমর্থিত ভিউয়ার সফটওয়্যার। তা
ছাড়া এটিতে উইন্ডোজ এঙ্প্লোরার ও টোটাল কমান্ডার লিস্টারের সব ফিচার
রয়েছে। ইউনিকোড সমর্থিত এ ভিউয়ারের মাধ্যমে ডক, ডকএঙ্, এঙ্এলএস, পিপিটি
ডকুমেন্ট পড়া এবং একধরনের ফাইল থেকে অন্য ধরনের ফাইলে রূপান্তর করা যায়।
মোবাইল
ফোনের পকেট সেন্সর সম্পর্কে জানা আছে কি? এ প্রযুক্তির কোনো ফোনসেট পকেটে
রাখলে এর ডিসপ্লের বাতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিভে যাবে অর্থাৎ লক হয়ে যায়। ফলে
এতে অনেক ব্যাটারি সাশ্রয় হয়।
স্মার্টফোনগুলোতে বিল্টইন পকেট সেন্সর থাকলেও অনেক ফোনে ইদানীং এ সুবিধাটি
দেওয়া থাকে না। যেমন_সিমবিয়ান পঞ্চম সংস্করণের স্মার্টফোনগুলোর অনেকটিতেই এ
সুবিধা নেই।
যাঁরা সিমবিয়ান পঞ্চম সংস্করণ অপারেটিং সিস্টেমের হ্যান্ডসেট ব্যবহার করেন
এবং পকেট সেন্সর সুবিধাটি চালু করতে চান তাঁরা অতিরিক্ত একটি সফটওয়্যার
ইনস্টলের মাধ্যমে সুবিধাটি পেতে পারেন। এ জন্য প্রথমে www.mediafire.com/?x2fa67ptb6426q2 থেকে পকেট সেন্সর সফটওয়্যারটি
ডাউনলোড করে নিন। এবার সফটওয়্যারটি প্রথমে আপনার মোবাইলে ইনস্টল করুন।
তারপর এটিকে চালু করুন। এরপর যে উইন্ডোটি আসবে সেখানে দেখুন অপশনগুলো ঙভভ
করা আছে। সেগুলো ঙহ করে দিন। আপনি চাইলে ইববঢ় অপশনটি ঙভভ করে রাখতে পারেন।
এবার অপশনে গিয়ে সফটওয়্যারটি ঐরফব করুন। এখন আপনার মোবাইল ফোনটি পকেটে
রাখুন, দেখবেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতি নিভে গেছে। সফটওয়্যারটি বন্ধ করতে
সফটওয়্যারটি চালু করুন। এবার ওপরে দেখবেন ঙহ করা আছে। সেগুলো ঙভভ করে দিন।
নকিয়ার
স্মার্টফোনে অনেক সময় ভাইরাসের আক্রমণ হয়। আবার ভাইরাস আক্রমণ ছাড়াও এগুলো
অনেক সময় ধীরগতির হয়ে যায়। অধিকাংশ ব্যবহারকরীই তখন উপায়ান্তর না দেখে
সার্ভিস সেন্টারে গিয়ে ফোনটি ফ্ল্যাশ করান। এ সমস্যা কিন্তু নিজেও সমাধান
করা যেতে পারে।
প্রথমে সেটটি বন্ধ করে সিম এবং মেমোরি কার্ড খুলে নিন। এবার *, ৩, ঝবহফ
বাটন তিনটি একত্রে চেপে ধরে মোবাইলের পাওয়ার বাটন চেপে মোবাইল চালু করুন।
সেট পুরোপুরি চালু না হওয়া পর্যন্ত বাটনগুলো চেপে ধরে রাখতে হবে। সেটটি অন
হয়ে গেলে দেখবেন এটি একেবারেই নতুনের মতো হয়ে গেছে। ভাইরাস এবং ধীরগতিতে
কাজ করার সমস্যা একেবারেই দূর হয়ে যাবে।